দেওয়ানগঞ্জবকশীগঞ্জ

জামালপুর-১: মিল্লাতের বিশাল জয়, জামানত হারালেন ৩ প্রার্থী

মতিন রহমান ও মহসিন রেজা রুমেল: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৫৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক সাঈদী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২০ ভোট। ৭৫ হাজার ৮৩৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ধানের শীষের এই প্রার্থী।

তবে এই নির্বাচনে বড় জয়ের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছে অন্য তিন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ (১২.৫ শতাংশ) পেতে হয়। জামালপুর-১ আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনই এই ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।

নির্বাচন কার্যালয় থেকে জানা গেছে- এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭০৭ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৬ জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি। ভোটের হার ছিল ৬৫.০৮ শতাংশ। সেই হিসাবে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীর প্রয়োজন ছিল ৩৪ হাজার ৫৯৪টি ভোট।

বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিজয়ী প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাজমুল হক সাঈদী বাদে বাকি তিন প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুর রউফ তালুকদার (হাতপাখা), তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ১২১ ভোট। জাতীয় পার্টির এ কে এম ফজলুল হক (লাঙল) পেয়েছেন ৯৩১ ভোট এবং গণ অধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম (ট্রাক) পেয়েছেন মাত্র ২২৬ ভোট।

জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক জানান- সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়। বিধি অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত ভোট না পাওয়ায় ওই তিন প্রার্থীর জামানত এখন সরকারি কোষাগারে বাজেয়াপ্ত হবে।

Related Articles

Back to top button