পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার: ৪ পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ড
সাকিব আল হাসান নাহিদ,জামালপুর: জামালপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নিষিদ্ধ ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে বিভিন্ন কেন্দ্রে মোট চার পরীক্ষার্থীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রসহ মেলান্দহ উপজেলার তিনটি পরীক্ষাকেন্দ্রে পৃথক অভিযান চালিয়ে এসব দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রে ডিভাইস ব্যবহারের দায়ে সালেমা আক্তার (৩১) নামে এক
পরীক্ষার্থীকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাঁকে ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে আরও তিন দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত সালেমা আক্তারের বাড়ি ইসলামপুর উপজেলার তাবুরচর এলাকায়।
জামালপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হায়দার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।
অপরদিকে, মেলান্দহ উপজেলার তিনটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ডিভাইস ব্যবহারের অভিযোগে আরও তিন পরীক্ষার্থীকে তিন দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ আল আমিন জমিরিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দণ্ডপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থী আমিনুর রহমান জাকির। তিনি সরিষাবাড়ী উপজেলার টিকাপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে।
মেলান্দহ উমির উদ্দিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দণ্ডপ্রাপ্ত হন আনিসুর রহমান। তিনি ইসলামপুর উপজেলার সুবেরচর এলাকার সুরুজ্জামানের ছেলে।
এছাড়া মেলান্দহ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দণ্ডপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থী সাবিনা। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলার তারতা এলাকার আবুল কাশেমের মেয়ে।
মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা বলেন- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো পরীক্ষার্থী নিয়ম ভঙ্গ করলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত সকল পরীক্ষার্থীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।




