যমুনা সার কারখানার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন
স্টাফ রিপোর্টার: জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানা কোম্পানি লিমিটেড (জেএফসিএল)-এর এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে একটি প্রাথমিক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)।
বিসিআইসির মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক-বিপণন) কাজী আনোয়ার হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে উপ-মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) মুহাম্মদ আব্দুস ছালামকে সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম মজুমদারকে সদস্য করা হয়েছে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন যমুনা সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোঃ দেলোয়ার হোসেন। অভিযোগের তদন্তের স্বার্থে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিটির পক্ষ থেকে সাক্ষরিত একটি পত্র পাঠানো হয়েছে।
পত্র থেকে জানা যায়, যমুনা সার কারখানার বিভিন্ন বিভাগে দৈনিক ভিত্তিক শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম, চুক্তি লঙ্ঘন ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিসিআইসি নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী শ্রমিক সরবরাহের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল-মমিন আউটসোর্সিং সার্ভিসেস লিমিটেড-এর মালিক মোঃ মমিনুল ইসলাম অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে-‘দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োজিতকরণ নীতিমালা ২০২৫” অনুযায়ী শ্রমিক নিয়োগের কথা থাকলেও উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোঃ দেলোয়ার হোসেন চুক্তি ও নীতিমালা অমান্য করে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে অন্যভাবে শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছেন। ফলে চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ২৪ জন শ্রমিক নিয়োগ করা সম্ভব হয়েছে।’
তদন্ত কমিটি বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আগামী ২২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিসিআইসির মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী মোঃ মমিনুল ইসলাম বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানকে উপেক্ষা করে চুক্তি ও নীতিমালা ভঙ্গ করে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আমি তদন্তের আবেদন করেছি।”
অভিযোগের বিষয়ে উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোঃ দেলোয়ার হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




