তেল না পেয়ে ২ ঘন্টা সড়ক অবরোধ
মহসিন রেজা রুমেল,দেওয়ানগঞ্জ: জামালপুরের ইসলামপুরে জ্বালানি তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকেরা।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ইসলামপুরের ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের সামনে দেওয়ানগঞ্জ জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন তারা। এ সময় তাদের কে তেলের দাবীতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে। এতে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতা এবং তেল দেওয়ার আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুব্ধ চালকরা।
স্থানীয়রা জানান- মোশারফগঞ্জে অবস্থিত ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনে সোমবার সকাল আটটা থেকে পেট্রোলল অকটেন সরবারাহ করার কথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ খবরে রোববার রাত থেকে কয়েকশত মোটরসাইকেল চালক তেলের জন্য লাইনে দাঁড়ান। তেল পেতে পুরো রাত সেখানে অবস্থান করেন বাইকাররা। কিন্তু সোমবার সকালে তেল দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ। এ খবর শুনে বিক্ষুব্ধ চালকেরা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন।
মাজম মাহমুদ নামে একজন শিক্ষক বলেন- “সোমবার তেল দিবে শুনে রোববার রাত ১০টা থেকে সারা রাত লাইনে অপেক্ষা করেছি। সকালে ফিলিং স্টেশন থেকে বলা হলো তেল দেওয়া হবে না। কর্তৃপক্ষ আমাদের নিয়ে তামাশা করেছে। তেল দিবেনা তাহলে তারা সারারাত লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখলো কেন? এ ঘটনার বিচার চাই।”
আরেক মোটরসাইকেল চালক মিলন মিয়া বলেন-“ঝর্ণা ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ সোমবার সকাল আটটা থেকে তেল দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। এই খবর আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাই। যে কারণে রোববার রাত থেকেই শতাধিক মোটরসাইকেল চালক লাইনে অপেক্ষা করে। সকালে তেল দেওয়ার ঘোষিত সময়ে তেল দেওয়া হবে না বলে তারা ঘোষণা দেয়। তাদের খামখেয়ালীর জন্য আমাদের পুরো রাত কষ্ট করেও কোন সুফল পেলাম না। এর দায়ভার কে নিবে?”
ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আমিনুল ইসলাম বলেন- “সোমবার তেল সরবরাহ করার কথা থাকলেও যথাসময়ে তেলের গাড়ি পৌঁছাতে রা পারায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে তেলের গাড়ি পাম্পে এলে আনুষাঙ্গিক কাজ শেষে তেল সরবরাহ শুরু হবে।”
এসব বিষয়ে ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম গাজী বলেন- “ফেসবুক পোষ্ট থেকেই এমন ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। খবর পেয়েই সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।”




