ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ: তেলের জন্য এক কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন
স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে জামালপুরে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করায় সড়ক ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের সংকট সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও জামালপুরে এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার (২০ মার্চ ) সকালে জামালপুর সরিষাবাড়ী উপজেলার ঝিনাই ফিলিং স্টেশন দেখা যাই তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ এক কিলোমিটার লাইন নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তেলের জন্য একটু পর পর তর্কে জড়িয়ে পড়ছেন চালকরা ।
এছাড়াও জামালপুর শহরের চিত্র একই দেখা যায়- শহরের জাবেদ ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায় । এসময় অনেকের অভিযোগ- এক ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করার পরেও চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না তারা। বর্তমানে অনেক ফিলিং স্টেশনে ২০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। এতে করে দূরপাল্লার যাত্রীদের পড়তে হচ্ছে চরম বিপাকে।
তেল নিতে আসা মোঃ রুহুল বলেন-“আমি মধুপুর থেকে জামালপুর আসছি, এখন প্রায় তেল শেষ। দেওয়ানগঞ্জ যেতে হবে। এখন আমার তেলের জন্য ২ ঘন্টার উপর দাঁড়িয়ে আছি, তেল পাচ্ছি না ।
আরেক মোটরসাইকেল চালক প্রান্ত বলেন-“কাল যেহেতু ঈদ, আজকে তেলের জন্য সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে আছি । এখনো পেলাম না। প্রচুর মানুষ দাঁড়িয়ে আছে । এখন লাইনে দাঁড়িয়ে আছি ফুয়েল পাই কিনা।”
এদিকে পাম্পের মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা- তাদের দাবি ঈদকে সামনে রেখে শহর থেকে মানুষ গ্রামে এসেছে। সবাই পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য ভিড় করছেন। সে করনে একটু তেলের উপর পেশার যাচ্ছে।এ ছাড়া ডিপো থেকে তেল দিতে দেরি করছে বলে জানান তারা।
জ্বালানি তেল বিক্রেতা জুই এন্টার প্রাইজ এর মালিক মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন – “আমাদের প্রতিদিন চাহিদা অনুযায়ী এক গাড়ি করে তেল প্রয়োজন। কিন্তু ডিপো থেকে ৮ থেকে ৯ দিন পর এক গাড়ি তেল পাচ্ছি। সেই তেল আমি মোটরসাইকেল চালকদের দিচ্ছি। আমাদের কাছে তেল না থাকলে কোথা থেকে দিবো । সবার কাছে অনুরোধ মজুদ না করে যার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই নেন।




