মেলান্দহ

অপরাধ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক ও বিট পুলিশিং সমাবেশ

সাকিব আল হাসান নাহিদ, মেলান্দহ: জামালপুরের মেলান্দহে গরু চুরিসহ বিভিন্ন ধরনের চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক, জুয়া, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সমাবেশ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ৭নং চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মাঠে বিট পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চরবানীপাকুরিয়া ইউনিয়নসহ মেলান্দহ থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা।

এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বিট এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় সচেতন নাগরিক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন- সামাজিক অপরাধ নির্মূলে পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে গরু চুরি ও বিভিন্ন চুরির ঘটনা রোধে রাতের পাহারা জোরদার, অপরিচিত ব্যক্তির গতিবিধির ওপর নজরদারি এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়।

সভাপতির বক্তব্যে মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওবায়দুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন- আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু পুলিশের একার নয়, সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষের। এলাকায় চুরি, ডাকাতি, মাদক কিংবা জুয়ার মতো অপরাধ রোধ করতে হলে সবাইকে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। জনগণের সহযোগিতা পেলে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা বলেন- বিট পুলিশিং এখন শুধু আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম নয়, এটি জনগণ ও পুলিশের মাঝে আস্থার সেতুবন্ধন তৈরি করছে। একটি নিরাপদ সমাজ গড়তে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং তরুণ সমাজকে একযোগে কাজ করতে হবে।

ইউনিয়নের বিট পুলিশের দায়িত্বে থাকা সাব-ইনপেক্টর জ্যৌতিময় সরকার মিশুর তত্ত্বাবধানে সভায় উপস্থিত জনগণের বিভিন্ন মতামত ও সমস্যার কথা শোনা হয় এছাড়াও মাদকসেবন ও মাদক ব্যবসা, জুয়া, বাল্যবিবাহ এবং ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Related Articles

Back to top button