ইসলামপুর

কোরবানির সময় দুর্ঘটনা: জামালপুরে ইমামসহ আহত ১৬

ফিরোজ শাহ, ইসলামপুর: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ঈদুল আজহার কোরবানি দিতে গিয়ে গরুর লাথি ও ছুরিকাঘাতে ইসলামপুরের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮মে) দুপুর ২ টা পর্যন্ত আহতরা চিকিৎসা নিতে যান ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরি বিভাগে।

ইসলামপুর উপজেলার পৌরসভার মোশারফগন্জ এলাকার মো.সিদ্দীক হোসেন (২৫) বলেন-“সকালে বৃষ্টি হয়েছে মাটি তেমন শুকনো না হওয়া, গরু কোরবানি দেওয়ার সময় গরু কে যে ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ দড়ি ছিঁড়ে গেলে গরুটি দাড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে সিং দিয়ে গুতো মারলে আমার ডান হাতের মাঝের আঙুলের হাড় ভেঙে যায়।”

ইসলামপুর সদর ইউনিয়ন কাঁচিহারা থেকে চিকিৎসা নিতে আশা কসাই কুব্বাত (৪৫) বলেন- “কোরবানি গরুর মাংস কাটতেই ধারালো ছুরির আঘাতে বাম হাতের কব্জির আংশিক কেটে যায়।”

বেলগাছা ইউনিয়ন কাছিমা এলাকা থেকে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসা নিতে আসা ওয়াহেদ (৪০) বলেন-“আবহাওয়ার কারণে সকালে বৃষ্টি হয়েছে, মসজিদে নামাজ আদায় করে। বৃষ্টি কমলে একটু বালি সিটিয়ে মাটি শক্ত করা হয়। সেখানে পশুটি কোরবানি করার জন্য প্রস্তুতি করলে। পশু টি মাথা ঝাঁটকা মারে এক পর্যায়ে ইমাম সাহেবের হাতে থাকা ধারালো ছুরি টা আমার হাতের কব্জা লাগলে দুটো নখ কেটে পরে যায়।”

সাপধরী ইউনিয়নে শিশুয়া এলাকায় পশু কোরবানি দিতে আসা ইমাম মাওলানা ইসমাইল হোসেন (৪৫) বলেন- “পশু কোরবানি দেওয়ার সময় ,গরুর পিছন দিয়ে আসতেই লাথি মারে। সঙ্গে থাকা আমার ব্যবহৃত ছুরিটির আঘাতে ডান পায়ে হাটুর নীচে মারাত্মক ভাবে কেটে যায়।”

বিষয়টি নিশ্চিত করে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. জয়নাল আবেদীন বলেন-“এখন পর্যন্ত আহত অবস্থায় আমাদের এখানে প্রায় ১৬ জন এসেছেন। সবাইকে সেলাই ও চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে এখনও কাউকে ভর্তি করা হয়নি। এখানে বেশিরভাগ রোগী কাটাছেঁড়ার।”

Related Articles

Back to top button