রৌমারী সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় আনসার ও গ্রামবাসী
মাসুদ পারভেজ,রৌমারী (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বোয়ালমারী সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে পুশইনসহ যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পাশাপাশি এখন থেকে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও নিয়মিত দায়িত্ব পালপন সহযোগীতা করবে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতের দিকে উপজেলার বোয়ালমারী সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে আনসার সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহল ও নজরদারিতে অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় গ্রামবাসীরাও স্বেচ্ছায় রাত জেগে বিজিবির পরিচালনায় সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহযোগিতা করছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য- সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও সতর্কতা বেড়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে তারা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে রাতভর সহযোগীতা করছেন।
স্থানীয়রা জানান-চরের গ্রাম, চর বোয়ালমারী, মোল্লারচর সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যায়ক্রমে বিজিবি, আনসার সদস্য ও সচেতন গ্রামবাসীর সমন্বয়ে নজরদারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই সতর্ক অবস্থান অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এরশাদ হোসেন নামে সীমান্তবর্তী এলাকার একজন বাসিন্দা জানান- দিনের বেলায় তারা নিজ নিজ পেশাগত কাজে ব্যস্ত থাকলেও রাত হলেই সীমান্ত এলাকায় এসে বিজিবির সদস্যদের পাশে দাঁড়ান। সীমান্তে যেন কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা অনাকাংক্ষিত ঘটনা না ঘটে। সেজন্য তারা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় আনসার সদস্যদের উপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছেন।
স্থানীয় আনসার সদস্য রাজু আহমেদ এর মতে, বিজিবির পাশাপাশি আনসার বাহিনী যুক্ত হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
এব্যাপারে জামালপুর ৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন- “পুশইন প্রতিরোধ কার্যক্রম বিজিবির পরিচালনায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিজিবিকে সহযোগিতা করছে।”




